এস.এম জয়,বগুড়া :খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি বস্তায় ৩০ কেজি ৬০০ গ্রাম চাল থাকার কথা থাকলেও, বাস্তবে সুবিধাভোগীরা পাচ্ছেন সারে ২৮ থেকে ২৯ কেজি পর্যন্ত চাল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাহালু উপজেলায় টানা তিন মাস পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রতিটি বস্তায় ৭০০ থেকে ১০০০ গ্রাম পর্যন্ত চাল কম দেওয়া হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ মুখ খুললেও, ডিলাররা দলীয় প্রভাবের কারণে নীরব রয়েছেন।
একজন সুবিধাভোগী জানান, আমরা গরিব মানুষ ৩০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও তা আমরা পাইনা, আমাদেরকে চাল কম দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ করলেও কেউ শোনে না ।”
এ- বিষয়ে জানতে চাইলে কাহালু এলএসডি কর্মকর্তা খোরশেদ আলমকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।
অভিযোগ উঠেছে, এসব অনিয়মের পিছনে রয়েছে বিএনপি নেতা মীর শাহী আলমের মালিকানাধীন মেসার্স রোমা অটো রাইস মিল। তবে দায় নিচ্ছে না উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, এলএসডি কর্মকর্তা কিংবা চুক্তিবদ্ধ পুষ্টি মিল মালিকসহ কোনো সংশ্লিষ্ট পক্ষই। কাহালু উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এম তারান্না বেগম জানান, তিনি ব্যস্ত আছেন, তাই এ- বিষয়ে কথা বলতে চাননি।
তবে মাঠ পর্যায়ে ডিলাররা এ- বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে রাজি নন। দলীয় ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়ায় তারা ভীতসন্ত্রস্ত বলেও জানা গেছে। এমন অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এই শুভ উদ্যোগের শুভঙ্করের ফাঁকিটা আসলে কোথায় হচ্ছে?
এ-বিষয়ে, কাহালু এলএসডি’র উপ- খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফুল আলম “Channel 21” -কে বলেন, আমাদের কাছ থেকে পুষ্টির মিলে শতভাগ চাল বুঝিয়ে নিয়ে গেছেন এর বেশি আমি আর কিছু বলতে পারব না।

