সফল হওয়ার আরেক নাম জয়নুল
রাজু আহম্মেদ,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: তরুন বয়স থেকে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে সফল হওয়া জয়নুলের গল্প সমাজে স্বাবলম্বী হওয়ার অন্যতম উদাহরণ। নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বালাপাড়ার মরহুম ছপদ্দি মামুদের ২য় পুত্র মোঃ জয়নাল আবেদীন (৫২) তিনি জানান, ১৯৯৬ সালে বছরের শুরুতে ৮০০০ টাকার বিনিময়ে দুই বিঘা জমি ১ বছরের জন্য চুক্তি নিয়ে প্রথমে লাল শাক চাষ করে তা দুই মাসের মধ্যে খরচ বাদে ৪,২০০/- টাকা লাভ করেন। আবার ওই জমিতে পরবর্তীতে আলু লাগিয়ে সাথি ফসল হিসেবে লাল শাক ও সরিষা শাক চাষ করে তা ৭,৫৫০/- খরচ বাদে লাভ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আলু উৎপন্ন করে খরচ বাদে ১,৮০,০০০/- টাকা লাভ করে।
এ ভাবে লাভের মুখ দেখে পরবর্তীতে আরো জমি চুক্তি নিয়ে আলু, বেগুন, করল্লা, লাউ ও বিভিন্ন প্রকারের শাক সবজি চাষের মাধ্যমে কয়েক বছরের মধ্যে লাভবান হয়ে একজন সফল চাষী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে তিনি বিগত দুই বছর থেকে কৃষিক্ষেত্রে বড় ধরনের চাষাবাদ না করে, মিশ্র খামার তৈরি করে গবাদী পশু পালনে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার মতে এটি আরো লাভজনক। বর্তমানে তার খামারে গবাদী পশুর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে শাহীওয়াল জাতের ষাঁড়, বিদেশী জাতের ছাগল যেমন-কাশমেরী, শিহরী, তোতা, যমুনাশেরী, হাড়িয়ানাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশী কবুতর রয়েছে। এদের মধ্যে শাহিওয়াল ষাঁড় ৪টি, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ৩টি তোতা ছাগল ৪টি, কাশমেরী ছাগল ৬ টি, শেহরী ছাগল ২টি, দেশী কবুতর ৩ শতাধিক ও বিদেশী ১শতাধিক। এদিকে জয়নাল আবেদিন বলেন, তার মিশ্র খামারে সব মিলিয়ে বর্তমানে প্রায় ৫০ লক্ষাধিক টাকার গবাদী পশু রয়েছে।

