ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আগে ও পরে কিছু বিষয়ে নিরুৎসাহিত করতে শর্ত বেঁধে দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের সব জুমা ও পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আগে ও পরে কিছু বিষয়ে নিরুৎসাহিত করতে শর্ত বেঁধে দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বুধবার মন্ত্রণালয় এক জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ কথা জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুমা ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ এবং প্রার্থনার আগে এবং পরে মসজিদ ও উপাসনালয়ে কোনো প্রকার সভা-সমাবেশ করা যাবে না। মসজিদে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আসন্ন রমজানে তারাবির নামাজ আদায় করতে হবে।
এর আগে গত সোমবার মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে ১০টি শর্ত মানতে অনুরোধ করেছিল ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোও মেনে চলতে অনুরোধ করা হয়। নির্দেশনা মানা না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গত ২৯ মার্চের প্রজ্ঞাপন ও ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা নির্দেশনা মেনে চলতে অনুরোধ জানানো হয়।
বুধবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লিখিত নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

