লক্ষীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি – নির্বাচিত ,পুরস্কার পেলেন -রায়পুর থানার শাহীন মিয়া
আব্দুল্লাহ আল মামুন,রায়পুর(লক্ষীপুর)প্রতিনি
জানা যায়, রায়পুরের আইনশৃখলা নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী অভিযান, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশংসনীয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবেই গতকাল এ অর্জন ও সন্মাননা স্মারক দেওয়া হয় ।
সম্প্রতি সময়ে রায়পুর থানা এলাকায় পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে প্রায় প্রতিদিনই গ্রেফতার হচ্ছে চিহ্নিত অপরাধী, চোর-ডাকাত, মাদক কারবারি ও দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা। উদ্ধার হচ্ছে অবৈধ অস্ত্রও। ফলে এলাকায় সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য মহড়া ও গোলাগুলির ঘটনা অনেকটাই কমে এসেছে। একই সঙ্গে কমেছে চুরি ও ডাকাতির ঘটনাও। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও নিরাপদ স্বাভাবিক জীবনযাপন ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের মতে,আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার বাজারগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর রয়েছে । বিশেষ করে নারীরা মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারছেন, যা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে জেলার পাঁচটি থানার কার্যক্রমের এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তবে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ওসি শাহীন মিয়ার নেতৃত্বে মাদক বিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা নিয়ে কাজ করা।
তথ্যে জানা যায়, ওসি শাহীন মিয়া রায়পুর থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার নেওয়ার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান, অনৈতিক সুপারিশ আমলে না নেওয়া, নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন এবং পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং তা বাস্তবায়ন করায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে রায়পুরের সচেতন মহলে।
এছাড়া গণমাধ্যমকর্মী, বিশিষ্টজন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতাকেও এই সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে ।
এদিকে লক্ষীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হওয়ায় শাহীন মিয়া-কে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ভবিষ্যতেও একই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে রায়পুরে শান্তি, নিরাপত্তা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল ।

