চট্টগ্রামে ১০৫ করোনা রোগী নিখোঁজ

Share the post

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার পেরিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে একশো। এর মধ্যে পজেটিভ হওয়া ১০৫ জন রোগীরও সন্ধান মিলছে না। এ অবস্থায় সংক্রমণ ঠেকাতে চট্টগ্রামকে রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করে কঠোর লকডাউনের কথা বলছেন চিকিৎসকরা।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৬৮ জন। এর মধ্যে নগরীর কোতোয়ালি এলাকায় ৩৭৯ এবং জেলার হাটহাজারীতে ১৭০ জন। সরকারি হিসাব মতে মৃত্যুর সংখ্যা ১শ।

কেন্দ্রীয় কমিটি স্বাচিপ সাংগঠনিক সম্পাদক  ডা. আ ন ম মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘চট্টগ্রামের করোনা রোগীর সংখ্যা অফিসিয়ালি ৪ হাজার পেরোলেও আমরা মনে করি এ সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি। আর মৃতের সংখ্যা ১ শ বলা হলেও যারা লাশ দাফন করে তারা বলছে গত আড়াইমাসে এ সংখ্যা সাড়ে ৩ শ।’

আশঙ্কাজনক হারে রোগী এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে চট্টগ্রামকে রেডজোন ঘোষণা করে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জনস্বাস্থ্য রক্ষা কমিটি সদস্য সচিব ডা. সুশান্ত বড়ুয়া।

জোন ঘোষণার সিদ্ধান্ত না আসলেও চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলছেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঘরে না থাকলে করোনা নিয়ন্ত্রণ কঠিন।

শুধুমাত্র নগরীতেই ৩ জন চিকিৎসকের মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ জন। আর পুলিশ আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৩শো জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Releated

চট্টগ্রামে প্রকাশ্য বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি অন্তত ৩

Share the post

Share the post মো: সাইদুর রহমান সুমন, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম :চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক র‍‍্যাব কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত র‍‍্যাব সদস্যের নাম মোতালেব। তিনি ডিএডি পদমর্যাদায় র‍‍্যাবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‍‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এছাড়া দুর্বৃত্তের হাতে জিম্মি রয়েছেন র‍্যাবের […]

তিন দশকের বিতর্কের অবসান: ভাসানচর চূড়ান্তভাবে সন্দ্বীপের অন্তর্ভুক্ত।

Share the post

Share the post শাহাদাত হোসেন সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :দীর্ঘ তিন দশকের প্রাকৃতিক পরিবর্তন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সামাজিক আন্দোলনের পর অবশেষে ভাসানচরের মালিকানা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটেছে। ভূমি মন্ত্রণালয় চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছে— ভাসানচরের ছয়টি মৌজা চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সীমানা […]