মেঘনা নদীতে ধরা পড়ল ৮ মণ ওজনের পানপাতা মাছ

Share the post

আকাশ :- ভৈরবের মেঘনা নদীতে আবার জেলের জালে ধরা পড়ল ৮ মণ ওজনের পানপাতা মাছ। এর আগে গত ১৫ নভেম্বর মেঘনায় ধরা পড়েছিল ৭ মণ ওজনের পানপাতা মাছ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ভৈরবের নৈশ মাছ আড়তে মাছটি বিক্রি হয় ৪৫ হাজার টাকায়। আড়তের মাছ বিক্রেতা পারভেজ মিয়া জেলে কাজলের কাছ থেকে মাছটি কিনে নেন। ভৈরবের জেলে কাজল মিয়া আর গণি মিয়া গতকাল সকালে মেঘনা নদীতে নৌকা নিয়ে বের হয়। দুপুর পর্যন্ত কোন বড় মাছ জালে ধরা পরেনি। বিকালে আশুগঞ্জের কাছে নদীতে জাল ফেললে টানার সময় জোর লাগছিল বলে জানান জেলে গণি মিয়া। বুঝে উঠতে পারছিলেন না জালে কি মাছ। জাল টেনে নৌকার কাছে টানতেই দেখা যায় পানপাতা মাছটি। এরপর সন্ধ্যায় মাছটি আশুগঞ্জ বাজারে নেয়া হলে সেখানে ক্রেতা ছিলনা। পরে মাছটি রাতে ভৈরবের নৈশ মাছ আড়তে নিয়ে আসা হয়। মাছ দেখে মানুষের ভীড় জমে যায়। তারপর বাজারের ক্রেতা পারভেজ মাছটি ৪৫ হাজার টাকা দামে কিনে নেয়। পারভেজ জানায়, এত বড় মাছের ক্রেতা নেই। মাছটি কেটে টুকরো করে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করব। এতে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে তার। জেলে কাজল মিয়া জানান, নদীতে আমরা বোয়াল, রুই, নলা মাছ মারতে যাই। কোনদিন মাছ বেশী পাই আবার কোনদিন কম পাই। কখনও পানপাতা মাছ জালে ধরা পড়েনি। ভৈরব নৈশ মাছ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান জানান, পানপাতা মাছ একটি বিরল প্রজাতির মাছ। এমাছ এখন বিলুপ্তির পথে। মেঘনায় এমাছ এখন দেখা যায়না। মাছটি গভীর পানিতে থাকে বলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান। সাগরের সংযোগ স্হল মেঘনায় হয়তো ভুল পথে মাছটি এসে পড়েছে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Releated

চট্টগ্রামে প্রকাশ্য বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি অন্তত ৩

Share the post

Share the post মো: সাইদুর রহমান সুমন, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম :চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক র‍‍্যাব কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত র‍‍্যাব সদস্যের নাম মোতালেব। তিনি ডিএডি পদমর্যাদায় র‍‍্যাবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‍‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এছাড়া দুর্বৃত্তের হাতে জিম্মি রয়েছেন র‍্যাবের […]

তিন দশকের বিতর্কের অবসান: ভাসানচর চূড়ান্তভাবে সন্দ্বীপের অন্তর্ভুক্ত।

Share the post

Share the post শাহাদাত হোসেন সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :দীর্ঘ তিন দশকের প্রাকৃতিক পরিবর্তন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সামাজিক আন্দোলনের পর অবশেষে ভাসানচরের মালিকানা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটেছে। ভূমি মন্ত্রণালয় চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছে— ভাসানচরের ছয়টি মৌজা চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সীমানা […]