শাহাদাত হোসেন,সন্দ্বীপ প্রতিনিধি:চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি টিনশেড বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের ভয়াবহতায় ঘরের ভেতর থাকা পরিবারের সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত বের হয়ে আসেন। এ সময় আগুনের মধ্যে বের হতে গিয়ে দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রবিবার (১৭ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ১৭ নম্বর মগধরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নুর উদ্দিন হাজীর বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরটির মালিক মো. আবুল কাশেম ও মাইনউদ্দীনের পরিবার ওই ঘরে বসবাস করতেন।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ ঘর থেকে আগুনের শিখা বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পরিবারের সদস্যরা ঘরের মালামাল রক্ষা করার সুযোগ পাননি। তারা কোনোমতে এক কাপড়ে ঘর থেকে বের হয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
আগুনের মধ্যে বের হওয়ার সময় আবুল কাশেমসহ দুজন আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
খবর পেয়ে সন্দ্বীপ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৫টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
সন্দ্বীপ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মঈনউদ্দীন বলেন,
“রাত ৪টা ১০ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমাদের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ভোর ৫টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।”
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে আশপাশের ঘরবাড়ি রক্ষা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

