সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-২ (নেত্রকোনা সদর -বারহাট্টা) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বারবার নির্যাতিত নারী নেত্রী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের সদস্য, মেধাবী সংগঠক অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহীন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে বিএনপির পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নেত্রকোনা শহর থেকে শুরু করে নেত্রকোনা-২ আসনের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত দলীয় প্রচার-প্রচারণা এবং জনসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এই ত্যাগী ও সংগ্রামী নেত্রী।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের পরীক্ষিত, কারা নির্যাতিত এই নেত্রীর ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। নেত্রকোনা-২ আসনের স্থানীয়রা জানান, নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টার গ্রামীণ জনপদ, হাট-বাজার, শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন এডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহীন। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি জনগণের পাশে ছিলেন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিজস্ব অর্থে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সুখ-দুঃখে এলাকার মানুষের সঙ্গে থেকেছেন এই জনপ্রিয় নেত্রী।
স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনের জনগণ বহু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি শুনেছেন, কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়ক যোগাযোগ কিংবা কর্মসংস্থানের খাত। জনসাধারণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি, বরং কিছু রাজনীতিকের ভাগ্য পরিবর্তিত হয়েছে। সচেতন মহলের মতে,নেত্রকোনার এই অবহেলিত আসনটিকে একটি উন্নয়নের মডেল আসনে রূপান্তর করতে হলে তৃণমূলের পরীক্ষিত ও সংগ্রামী নেত্রী এডভোকেট ড. আরিফাত জেসমিন নাহীনকে সুযোগ দেওয়া জরুরি।
অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহীন বলেন, দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে থেকেছি। মামলা-মোকদ্দমা ও কারাবরণ করতে হয়েছে। তবুও আমি হাল ছাড়িনি। তৃণমূলের মানুষের মাঝে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছি। আমি দেখেছি গ্রামের সাধারণ মানুষ এখনও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে হৃদয়ে ধারণ করেন।
গ্রামের সাধারণ মানুষ আজও জিয়াউর রহমানের আদর্শে স্বপ্ন দেখে। সেই স্বপ্ন পূরণে বিএনপির প্রতীক ‘ধানের শীষে’ ভোট দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে নেত্রকোনা-২ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করবে। এই আসনটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর অগ্রনায়ক তারেক রহমানকে উপহার দিতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি ইনশাল্লাহ। এ ছাড়া রাষ্ট্র কাঠামো পুনর্গঠনের বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি তুলে ধরতে এবং তরুণ প্রজন্মকে ধানের শীষের পক্ষে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি নিয়মিত গণসংযোগ ও বুকলেট বিতরণ করছেন।নেত্রকোনার স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা সংগ্রামী ও জনবান্ধব রাজনীতির ধারক এডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহীন যদি দলীয় মনোনয়ন পান, তাহলে নেত্রকোনা-২ আসনটি বিএনপির জন্য একটি শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হবে।

