ফাহাদ, সোনারগাঁ : ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় থেকেই নারায়ণগঞ্জে বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁও অংশে ছিনতাইকারী-ডাকাতদের দৌরাত্ম্য কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই অপরাধীরা প্রতিনিয়ত মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী মানুষের সর্বস্ব লুট করে তাদের আঘাতও করছে। যার বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে ভীতি তৈরি হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সারা সোনারগাঁয়ে ডাকাত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচিত হতে থাকে কাচিপুর হাইওয়ে পুলিশ ও সোনারগাঁ থানা পুলিশ সহ প্রশাসন।
ঠিক তখনি নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেন মুহিবুল্লাহ। পরিস্থিতি সামালের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান। ডাকাতের ঘটনা একের পর এক ঘটেই চলছে। ঠিক তখনই উপজেলা প্রশাসন ও সোনারগাঁ থানার যৌথ উদ্যোগে এক বৃহৎ পরিকল্পনা হাতে নেন যা ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক থাকবে সুরক্ষিত।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সোনারগাঁ অংশে ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মধ্যে থেকে সাহসী ও বিচক্ষণ সৈনিক ধারা প্রস্তুত করেন বিশেষ নিরাপত্তাশীল প্রহরী। যারা রাতের সোনার ডাকে সুরক্ষিত রাখবে। ডাকাতী প্রবন এলাকায় থাকবে তাদের নজরদারি যে কোন মোকাবেলায় তারা থাকবে প্রস্তুত। এমন পদক্ষেপের পর থেকেই টানা তিন দিনের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সোনারগাঁও অংশে কোন ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি ফলে থানার ওসি মুহিবুল্লাহ বলেন আমাদের বৃহৎ পরিকল্পনা কাজে এসেছে বিগত তিন দিনের মধ্যে কোন ডাকাতির ঘটনার আবির্ভাব না হওয়া আমরা মনে করছি ১০০% সফলতা।
তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ সব সময় প্রস্তুত ও তৎপর যে কোন মোকাবেলায় আমরা সদা প্রস্তুত।
এছাড়াও তিনি বলেন, গত মাসে ব্যাপক ডাকাতি সংবাদ পাওয়া যায় ফলে সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের উদ্যোগের পর থেকে এ পর্যন্ত কোন ডাকাতির সংবাদ পাওয়া যায়নি আমাদের এই উদ্যোগটি সফল হয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি।
শুধু তাই নয় প্রত্যেকটি উপজেলার চেয়ারম্যানদের প্রহরীদের উৎসাহিতির জন্য তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। প্রতিটি ইউনিয়নে এরকমভাবে ডাকাতদের প্রতিহত করার আহ্বান জানান।

