ইবি প্রতিনিধি: পবিত্র রমজানুল মোবারক উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম ধর্মাবলম্বী সকল সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও;শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক শুভেচ্ছা বার্তায় ভাইস চ্যান্সলর প্রফেসর ড৷ নকীব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ, প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম এয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মেহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার প্রফেসর ড. মোা মনজুরুল হক এই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
পবিত্র এই মাসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম, সহমর্মিতা ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাসের শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নৈতিকতা, মানবিকতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করতে সহায়ক।
তারা সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া প্রার্থনা করেছেন এবং পবিত্র রমজানের সিয়াম সাধনা যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টেররমজানুল মোবারক উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের শুভেচ্ছা
ইবি প্রতিনিধি:
পবিত্র রমজানুল মোবারক উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইসলাম ধর্মাবলম্বী সকল সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. এ ইয়াকুব আলী, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মেহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. মনজুরুল হক এ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
বার্তায় তারা বলেন, পবিত্র রমজান আত্মশুদ্ধি, সংযম, সহমর্মিতা ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এ মাসের শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নৈতিকতা, মানবিকতা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রমজান মানুষকে আত্মসংযমের মাধ্যমে আল্লাহভীতি ও নৈতিক চরিত্র গঠনে উদ্বুদ্ধ করে।
তারা সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া প্রার্থনা করেন এবং পবিত্র রমজানের সিয়াম সাধনা যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্টের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আগামী ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শাবান মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।
মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মাসেই মানবজাতির পথনির্দেশ হিসেবে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। তাই রমজানজুড়ে মসজিদ ও ঘরে ঘরে ইবাদত, নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত এবং ক্ষমা প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমিরাতে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হওয়ার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি। তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী শাবান মাসের চাঁদ দেখার পরই রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতেই মানবজাতির পথনির্দেশ হিসেবে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়। সে কারণে এ রাতে মসজিদ ও ঘরে ঘরে ইবাদত, নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও ক্ষমা প্রার্থনায় মগ্ন থাকেন মুসলিমরা।

