তিন পদ ছাড়লেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহানা
শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন তিন পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এদিকে তার স্থায়ী বহিস্কারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক। তিনি বিভাগের চেয়ারপারসন, সহকারী প্রক্টর ও সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এই তিন পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেছেন।
বুধবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়ে তাকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। চুল কেটে দেয়া ১৬ শিক্ষার্থী সকাল থেকে আমরণ অনশন শুরু করে। তাদের মধ্যে ৩ জন অসুস্থ হয়ে পড়লে একজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে ঘটনা তদন্তে সিনেট সদস্য লায়লা ফেরদৌস হিমেলকে প্রধান করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ৩টি পদ থেকে পদত্যাগ করেন শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন। তবে এখনো শিক্ষক পদে বহাল রয়েছেন তিনি।
উল্লখ্য, গত রোববার পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন ১৬ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন। চুল কেটে দেওয়ার অপমান সহ্য করতে না পেরে গত সোমবার রাতে নাজমুল হাসান নামের এক ছাত্র অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

