১৫ দফা দাবিতে সারা দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো পণ্য পরিবহনে কর্মবিরতি চলছে।
১৫ দফা দাবিতে সারা দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো পণ্য পরিবহনে কর্মবিরতি চলছে। গতকাল থেকে শুরু হওয়া ৭২ ঘণ্টার এ কর্মবিরতিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ট্রাক ও ট্যাংক-লরি ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীরা।
ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্ধ রয়েছে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী যান চলাচল। ধর্মঘটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সারা দেশে পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। তবে বন্দরের বিভিন্ন জেটিতে কনটেইনার খালাসের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরের ইয়ার্ডে ৪৯ হাজার কনটেইনার রাখার জায়গা রয়েছে।
বরিশালে পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘটে অংশ নিয়েছে বরিশাল জেলা ট্রাক, ট্যাংক-লরি, কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন। বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী সব ধরনের যানবাহন।
জেলা ট্রাক, ট্যাংক-লরি, কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ হোসেন কালাম মোল্লা বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়েই ১৫ দফা দাবি আদায়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি। মহাসড়কে চাঁদাবাজি ও শ্রমিক হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ধর্মঘটে কোনো ট্রাক, ট্যাংক-লরি, কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক চলতে দেয়া হবে না।’
ধর্মঘটে সিলেট বিভাগে কোনো পণ্যবাহী ট্রাক ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। তবে বিভাগের চার জেলার মধ্যে কিছু ট্রাক, পিকআপ ভ্যান চলাচল করছে।
এদিকে, কর্মবিরতিসহ বিভিন্ন কারণে যশোরের বেনাপোল থেকে নাভারন পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে হাজারো ট্রাকের জট দেখা দিয়েছে।
মোটরযান মালিকদের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহারসহ ১৫ দফা দাবি আদায়ে বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে ধর্মঘট।

