সোনারায় ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করতে বদ্ধ পরিকর পরেশ
রাজু আহম্মেদ (নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি): আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে, ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী পরেশ চন্দ্র অধিকারী। তিনি ওই ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস ও দূর্ণীতিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে গণ সংযোগের করছেন। নীলফামারী জেলার সোনারায় ইউনিয়ন বাসীর কাছে একটি অতি পরিচিত মুখ পরেশ চন্দ্র অধিকারী। তিনি ওই ইউনিয়নের জয়চন্ডী গ্রামের অধিকারী পাড়ার মহেশ চন্দ্র অধিকারীর পুত্র।
এলাকাবাসী জানায়, এই ইউনিয়নের মধ্যে জয়চন্ডী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনারায় সংগলশী উচ্চ বিদ্যালয় ও ডিগ্রি কলেজ, বাবুর হাট শ^শান, বাবুর হাট মন্দির, ইপিজেডের ভিতরে তিন একর সম্পত্তি, তিলাই যাওয়া মন্দিরের তিন তলা ফাউন্ডেশন, বাবুর হাট বড় কালি মন্দিরে, ওলট পাড়া বিষ্ণ মন্দির এবং ওলট পাড়া গ্রামের চিড়াতি পাড়া, রাধা কৃষ্ণ মন্দির, কালি মন্দির, দোলা পাড়া (নতুন পাড়া) মসজিদে দুই শতক জমি এগুলো, সবখানেই তার পরিবারের এবং তার অবদান রয়েছে এবং তিনি ব্যক্তিগত ভাবে বাবুর হাট বড় কালি মন্দির, ওলট পাড়া বিষ্ণু মন্দির, ওলট পাড়া গ্রামের রাধা কৃষ্ণ মন্দির এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সবটিতে সভাপতি। এছাড়াও তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন যদি তিনি নির্বাচিত হন, তাহলে সোনারায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি মসজিদ ও ৯টি মন্দির নির্মাণ করবেন। তার রাজনৈতিক পরিচয় তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সম্পাদক, যুবলীগের আঞ্চলিক শাখা (সোনারায়, সংগলশী, চগাইখোলা ইউনিয়ন) এর ক্রীড়া সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর পরিষদের নীলফামারী সদর শাখার প্রচার সম্পাদক।
এদিকে পুরো ইউনিয়ন ঘুরে অনেক ভোটারের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, পরেশ চন্দ্র অধিকারী একজন ভালো মনের মানুষ এবং তিনি অত্যন্ত পর-উপকারী ব্যক্তি। পরেশ চন্দ্র অধিকারী আরো বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জেবিত হয়ে রাজনীতি করি এবং দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছি এবং আমার বিশ্বাস আমি মনোনয়ন পাব। আমি ওয়াদাবদ্ধ, আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই আমার প্রিয় সোনারায় ইউনিয়নকে মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস ও দূর্ণীতি মুক্ত করে মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত করব।

