ফাহাদ, সোনারগাঁ : সোনারগাঁ থানা পুলিশ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার সজিব(২৫) নামে এক যুবককের মরদেহ উদ্ধার করেছে সোনারগাঁয়ের হাবিবপুর গ্রামের মৃত হারুনের ভাড়াটিয়া বিথী
নামের ভাড়াটিয়ার রুম থেকে। জানা যায়, যুবকের বাড়ি গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের টেংগারচর গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে। প্রেমিকা বিথী জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার ধারারচর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন দিন যাবৎ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় ভাড়া থাকতেন তার প্রেমিকা বিথী । বীথি একজন ডিভোর্সি ও এক সন্তানের জননী ছিলেন। বিউটি পার্লারে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।গত মঙ্গলবার (২সেপ্টেম্বার) বিকাল ৪ ঘটিকায় সোনারগাঁও উপজেলার হাবিবুরপুর এলাকার হারুনের ভাড়া বাসা থেকে ঐ যুবককে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মা রাশিদা বেগম। পরে বুধবার(৩ আগষ্ট) ময়নাতদন্ত শেষে বিকাল ৬ ঘটিকায় তাকে গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর গ্রামে জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।এছাড়াও জানা যায়, ৫/৬ মাস পূর্বে বিউটিশিয়ান বিথীর সাথে সজিবের পরিচয় হয় তারপর পর থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ও পারিবারিক ভাবে বিয়ের কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়।তারপর থেকেই প্রেমিক সজিব প্রেমিকা বিথীর ভাড়া বাসায় যাতায়াত করতো ও রাত্রি যাপন করতো।ঘটনার দিন প্রেমিকা বিথি একাধিকবার সজীবের মার সাথে বারবার যোগাযোগ করেন এবং অসুস্থ বলে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। ঘটনাস্থলে তার মা পৌঁছে দেখেন তার ছেলে ফুলরে শুয়ে আছে তবে জীবিত না মৃত তা বুঝা যাচ্ছিল না। এমতাবস্থায় খুব সতর্কতার সাথে প্রেমিকা বিথী অসুস্থতার কথা বলে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিকে রওনা হয়। সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সজীব কে নিয়ে আসা হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে তবে প্রশ্ন থেকে যায় অসুস্থ বলে প্রেমিকার রুম থেকে বের হওয়ার পর সেটা মৃত হয় কিভাবে? নাকি সজীবের মা উপস্থিত হওয়ার আগেই তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে মেরে ফেলা হয়। এমনই গুঞ্জন চলছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। এমতাবস্থায় প্রেমিকা বিথী এখন পলাতক। গা ঢাকা দিয়েছে বিশ্বাসঘাতক প্রেমিকা। পরিবারের দাবি এটা কোনভাবেই আত্মহত্যা না এটা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে ফেলেছে আমরা তার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
পরিপূর্ণ অনুসন্ধান চলা না পর্যন্ত মূল ঘটনা তুলে ধরা সম্ভব না।

