কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজের ৫ দিন পর মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

Share the post

কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি : রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে ভালোবাসা দিবসের দিনে বেড়াতে এসে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ মা-ছেলের মরদেহ ৫ দিন পর কর্ণফুলী নদীতে ভেঁসে উঠেছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পূর্ব সরফভাটা মড়া খাল সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে দুটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা রাঙ্গুনিয়া থানায় খবর দেয়। সকাল ১০ টার দিকে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় লাশ দুটি উদ্ধার করার পর নিশ্চিত হওয়া যায় যে,মরদেহ দুটি কাপ্তাই নৌকাডুবিতে নিখোঁজ মা টুম্পা মজুমদার (৩০) ও ছেলে বিজয় মজুমদারের (৫)।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশ্রাফ আহমেদ রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। লাশ দুটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের নন্দনকানন রাধামাধব মন্দির থেকে ইসকনের ১২৭ সদস্যের একটি দল তীর্থভ্রমণে কাপ্তাই আসে। দলটি তিনটি নৌকা যোগে কাপ্তাইয়ের শীতার ঘাঁট মন্দিরে যাওয়ার পথে কয়লার ডিপো সংলগ্ন স্থানে কূলে ভেড়ার আগেই একটি নৌকা ডুবে যায়। একে তো অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই, দ্বিতীয়ত বেশিরভাগ যাত্রী হঠাৎ নৌকায় চড়ার সুযোগ পেয়ে হেসেখেলে, হেলে-দুলে নৌকাভ্রমণ করছিলেন। ফলে তীড়ে ভেড়ার আগেই নৌকাটি ডুবে যায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।

ওই ঘটনায় নিখোঁজ তিনজনের মধ্যে দেবলীনা দে’র (১০) মরদেহ ওইদিন সন্ধ্যায় উদ্ধার হলেও ৫ দিন পড়ে মা-ছেলের আজ মঙ্গলবার মা-ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জের হরিপুর মজুমদার বাড়ির রাজীব মজুমদারের স্ত্রী-পুত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Releated

চট্টগ্রামে প্রকাশ্য বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, জিম্মি অন্তত ৩

Share the post

Share the post মো: সাইদুর রহমান সুমন, ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম :চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক র‍‍্যাব কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত র‍‍্যাব সদস্যের নাম মোতালেব। তিনি ডিএডি পদমর্যাদায় র‍‍্যাবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‍‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এছাড়া দুর্বৃত্তের হাতে জিম্মি রয়েছেন র‍্যাবের […]

তিন দশকের বিতর্কের অবসান: ভাসানচর চূড়ান্তভাবে সন্দ্বীপের অন্তর্ভুক্ত।

Share the post

Share the post শাহাদাত হোসেন সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :দীর্ঘ তিন দশকের প্রাকৃতিক পরিবর্তন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সামাজিক আন্দোলনের পর অবশেষে ভাসানচরের মালিকানা নিয়ে চলমান বিতর্কের অবসান ঘটেছে। ভূমি মন্ত্রণালয় চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছে— ভাসানচরের ছয়টি মৌজা চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা সীমানা […]