হাওরের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে জাতীয় মেধাতালিকায় মেডিকেলে চান্স পেলেন জব্বার ও ঈশিতা
আকিব হৃদয়, নিজস্ব প্রতিবেদক: কিশোরগঞ্জের হাওরের অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম খয়েরপুরের মেধাবী ছাত্র আব্দুল জব্বার তমিন এবারের মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। আব্দুল জব্বার তমিন জাতীয় মেধাতালিকায় ৮৫তম স্থান অধিকার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। আব্দুল জব্বার তমিন এর পিতা মো. রহমত আলী কুয়েত প্রবাসী এবং মাতা মোছা. আমিরচাঁন একজন গৃহিণী। অপরদিকে মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছেন হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের প্রত্যন্ত গ্রাম আব্দুল্লাপুরের মেয়ে রুমানা রশিদ ঈশিতা। মেধাবী শিক্ষার্থী ঈশিতা জাতীয় মেধাতালিকায় ৩০২০তম স্থান অধিকার করে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় আব্দুল জব্বার তমিন কাদিরপুর এসএম নাথ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি ও ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাশ করেন।
এবারের মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ২৮২ নম্বর পেয়ে জাতীয় মেধাতালিকায় ৮৫তম স্থান অধিকার করে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। মেধাবী শিক্ষার্থী আব্দুল জব্বার তমিন পঞ্চম শ্রেণিতে জিপিএ-৫ সহ ট্যালেন্টপুল বৃত্তি এবং অষ্টম শ্রেণিতে জিপিএ-৫ সহ সাধারণ বৃত্তি লাভ করেছিলেন। ঈশিতা বাজিতপুরের আফতাব উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি এবং নরসিংদী আব্দুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।অত্যন্ত মেধাবী ঈশিতা পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ সহ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছিলেন। রুমানা রশিদ ঈশিতার পিতার নাম হারুন অর রশিদ। তিনি অষ্টগ্রাম উপজেলার উত্তর আব্দুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ২০১৯ সালের অষ্টগ্রাম উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক। অত্যন্ত মেধাবী ঈশিতা পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ সহ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করেছিলেন। আব্দুল জব্বার তমিন ও রুমানা রশিদ ঈশিতা এর এমন অসাধারণ সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তাঁদের পরিবার ও এলাকাবাসী। তমিন ও ঈশিতা ভবিষ্যতে একজন মানবিক চিকিৎসক হিসেবে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান। এজন্যে তারা সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

