টানা ৭দিনের ভারী বর্ষনে চলনবিলে ফের বন্যা, ১৫০০ হেক্টর জমির ধান পানিতে ডুবে নষ্ট।
উপজেলার তালিকা ভুক্ত প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন। কিন্তুু বরাবরই চলনবিলে বর্ষায় ধান উৎপাদনের যে লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয় তার লোকসান গুনতে হয়।ফলে আমরা দেশের বৃহৎ জনসংখ্যার জন্য খাদ্যউৎপাদনের চাহিদা মিটিয়ে, অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদনে হিমসিম খাচ্ছি। চলনবিলের খাদ্য উৎপাদনশীল অঞ্চলগুলোতে(যে অঞ্চলে ফসল উৎপাদনে সম্ভাবনা আছে) বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ নির্মান করে আমাদের এই বিরাট একটি অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বাধ তৈরী সম্ভব হলে, কৃষকরাও বারবার এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতির সম্মুখীন হবেনা। সকরার যদি বিষয়টি গুরুত্ব সহ দেখেন তবেই চলনবিলের কৃষকগণ বারবার বিরাট একটি লোকসানের শিকার থেকে মুক্তি পাবে।
