বাকেরগঞ্জের আসমা বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন স্বামীকে তালাক দিয়ে

অনলাইন ডেস্কঃ স্বামীকে তালাক দিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের সৌদি প্রবাসী মোঃ সুলতান ব্যাপারীর কন্যা আসমা। অভিযোগ সূত্রে জানাযায় পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের বড় রঘুনাথপুরের সৌদি প্রবাসী অত্যান্ত পরজগার এবং রোজা নামাযী মোঃ সুলতান ব্যাপারী (মোবাঃ ০০৯৬৬৫৩৭৪২৪২১৬) একমাত্র বড় কন্যার আদর করে আরবিতে নাম রেখেছিলেন আসমা। আসমা শব্দের অর্থ: উদার, সক্রিয়, সৃ, উপযুক্ত, ভাগ্যবান, গুরুতর, বন্ধুত্বপূর্ণ, উদ্বায়ী, স্বাভাবিক, আধুনিক, মনোযোগী, আনন্দদায়ক যার একটি গুণাগুণ নেই এই আসমা নামের মেয়েটির মধ্যে। সূত্র জানায় ১৯৯৮ স্কুল জীবনেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন পাশের গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের জালাল সিকদারের পুত্র মোঃ জুয়েল সিকদারের সাথে (মোবাঃ০১৭২৮৬৮১৯৮৬)।দাম্পত্য জীবনেই তাদের সংসারে জন্ম নেয় তানভীর নামের একটি পুত্র সন্তান। শশুর সৌদিআরব থাকার সুবাদে জুয়েল তার পৈতৃক ভিটামাটি বিক্রি করে ভাগ্যের অন্যাষনের জন্য পাড়ি দেন সৌদিআরবে। জুয়েল জানান তার স্ত্রীকে তিনি প্রচন্ড ভালবাসার কারনেই তার রোজগারের সমস্ত আয় রোজগারের টাকা পাঠাতেন স্ত্রী আসমার নামে। আর আসমাও এ সুবাদে কালীগঞ্জ ভাড়া থাকালীন পরকিয়ায় আশক্ত হন বিভিন্ন পেশা শ্রেনীর মানুষের সাথে। প্রথমে পরকিয়ায় আশক্ত হন কালীগঞ্জ ব্রাক ব্যাংকের এক কর্মকর্তার সাথে। এমন কি ঔ কর্মকর্তার সাথে দিনের পর দিন বিভিন্ন আবাসিক অনাবাসিক স্থানে বসবাস করতেন বলে অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। নাম প্রকাশে অনৈচ্ছুক কালীগঞ্জ বাজারের একাধীক ব্যাক্তি জানান আসমা ঔ কর্মকর্তার সাথে প্রেমের নামে অভিনয় করে পাঁচ লক্ষ টাকা আত্যসাৎ করার পর গুডবাই জানান তাকে। তারপর পরকিয়ার ফাঁদে ফেলেন কালীগঞ্জ বাজারের স্থানীয় শহিদুল জোমাদ্দার নামের বিবাহিত এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের এক ব্যক্তির সাথে। নিজ নামের এন.জি.ও কে.ডি.সিতে কোটি, কোটি টাকা দেখে পরকিয়ার অভিনয় করেই শুধু খ্যান্ত হননি বরং তার সোনার গড়া সংসারটি ভেঙ্গে টুকরা টুুুুকরা করে তার এনজিওর টাকা আত্নসাৎ করা সহ তাকেও এএকইভাবে গুডবাই জানান আর সেই থেকে তিনি দেশ ত্যাগে বাধ্য হন এবং বিষয়টি বেশ সমালোচিত হওয়ার কারনে অতঃপর আসমা বরিশাল শহরের পুলিশ লাইনস্থ আই.এফ.সি গল্লীর দৈনিক মতবাদ পত্রিকা অফি সংলগ্ন নাহার মঞ্জিলের ৫ম তলায় পুত্র তানভীরকে একটি বিলাস বহুল ফ্লাট ভাড়া নেন। কিন্তু কথাইতো তো আছে কয়লা ধুইলে কি ময়লা যায়? নিশ্চয়ী না। সেখানে গিয়েও ভোলা নিবাসী আলমগীর নামের যুবককে পরকিয়ার ফাঁদে ফেলে তার কাছ থেকে লুফে নেন চার লক্ষাধিক টাকার বেশী। তাছাড়ও একইভাবে অনেক যুবক ছেলেদের কাছ থেকে প্রেমের অভিনয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ সূত্রে পাওয়া যায়। আর সব অপকর্মের কথা স্বামী জুয়েল জানতে পেড়ে দেশে ফিরে তার মাথার ঘাম পায়ে ফেলানো পাঠানো টাকার হিসাব চায় স্ত্রী আসমার নিকট কিন্তু আসমা কোনকিছুর হিসেব তো দূরের কথা স্বামী জুয়েলকে ঘায়েল করার জন্য ঠুকে দেন যৌতুক মামলা। ফলে শুরু হয় স্বামী মধ্যে দাম্পত্য কলহ। একপর্যায় স্বামী জুয়েলও প্রতারক স্ত্রীর বিরুদ্ধে বরিশালের আদালতে ২৫ লাখ টাকার প্রতারনার মামলা দায়ের করেন যার স্বাক্ষী হিসেবে ছিলেন আসমার আপন চাচা মোঃ আলতাফ আকন (মোবাঃ০১৭১২৭৭২৭৮৯) , চাচা আশ্রাফ আকনের(মোবাঃ ০১৭৫৩৩১৮৮৭১) স্ত্রী তার আপন চাচী এবং আপন দাদী কিন্তু স্ত্রী আসমা বেশ চালাকচতুর হওয়ায় আইনের ফাঁক দিয়ে তার দায়ের করা মামলা থেকে বেড় হতে পাড়লেও শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় সাজা হলে স্থানীয়দের আপোষ মিমাংষায় বরং জুয়েল আসমাকে এক লক্ষ টাকা যৌতুক দিয়ে এ মামলা থেকে রেহাই পান। অবশেষে তাদের মধ্য ছাড়াছাড়ি হয়। বর্তমানের আসমার অবস্থা সম্পর্কে তার পাশের ভাড়াটিয়া জানান তিনি র্সাবক্ষনিক ব্যস্ত থাকেন আর প্রায় ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে একটি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কথা বলে বিভিন্ন লোকদের সাথে অবাধে যাওয়া আসা করে। এমন কি তিনি ঢাকায়ও একইভাবে একটি বিলাস বহুল ফ্লাটে পুত্র তানভীরকে ছাড়াই ভাড়া থাকেন। প্রকৃতভাবে এই প্রতারনাময় নারী যে আসলে কি কাজ করে তা সে কাউকে জানাতে নারাজ।তবে তার নিকট আত্নীয় সজনরা জানান তিনি বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক এবং সমাজ বিভিন্ন লোকদের সাঁথে ব্যাভিচারী কাজে লিপ্ত আছেন। বর্তমানে ঢাকায় একটি বিলাশ বহুল ফ্লাট নিয়ে ভাড়া থাকেন। তাছাড়াও তাহার একাধিক সিম ব্যবহার করে আসতেছে যেমন ১)০১৭২৬৫৯৩৫৮১,২)০১৭২১০৫০১৭১,৩)০১৭১৬৬৩২২১৪ সহ আর অনেক সিম আছে যাহা দ্বারা তিনি বিভিন্ন প্রান্তে ঘুুুরে,ঘুরে নানান প্রকারের অসামাজিক এবংঅনৈসলামী কাজ করে বেড়াচ্ছে বলে স্থানীয় অভিযোগ সূূত্রে জানা যায়। সূূত্র: বাকেরগঞ্জ এর কন্ঠস্বর,১৯-০২-২০২০।