মুহিবুল্লাহ হত্যা: গ্রেপ্তার দুইজনের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
শনিবার (০২ অক্টোবর) বিকালে উখিয়া আদালতের জেষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম দেলোয়ার হোসেনের আদালতে এ দুই আসামির রিমান্ড আবেদন জানানো হয়। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) কার্তিক চন্দ্র পাল এ তথ্য জানিয়েছেন।
রিমান্ড আবেদন জানানো আসামিরা হলেন- উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বাসিন্দা নুর বশরের ছেলে মো. সলিম (৩৩) এবং মধুরছড়া ৩ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-১৫ ব্লকের রহিম উল্লাহ’র ছেলে শওকত উল্লাহ (২৩)।
এসআই কার্তিক বলেন, রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শুক্রবার উখিয়া থানা পুলিশ এবং ১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ান পুলিশ (এপিবিএন) অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে।
এদের মধ্যে শওকত উল্লাহকে শুক্রবার সকালে উখিয়া থানা পুলিশ কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লক থেকে এবং মো. সলিমকে এপিবিএন সদস্যরা লম্বাশিয়া ১-ইস্ট ক্যাম্প থেকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার শওকত ও সলিমকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের পর শনিবার বিকালে আদালতে প্রেরণ করা হয়। এসময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক শুনানীর জন্য রোববার দিন ধার্য করে আদেশ দিয়েছেন।
এদিকে, শনিবার ভোররাতে ১৪ এপিবিএন এর সদস্যরা বিভিন্ন ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আব্দুস সালাম (৩২) ও জিয়াউর রহমান (৩০) কে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে বলে জানান এসআই কার্তিক।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে আব্দুস সালামকে লম্বাশিয়া ১-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে এবং জিয়াউর রহমানকে কুতুপালং ৮-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কার্তিক বলেন, শনিবার ভোররাতে গ্রেপ্তার আব্দুস সালাম ও জিয়াউর রহমানকে থানায় হস্তান্তরের পর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। রোববার তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।
এ নিয়ে রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা।