ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

Share the post

ওজন কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না! প্রতিদিন প্রায় সময়ই দাওয়াত, ভাজাপোড়া ও বাইরের খাবার খেতে হচ্ছে? পেটের মেদও বেড়ে যাচ্ছে? দেখতে খারাপ লাগছে? তাহলে উপায় কি? অবশ্যই সবকিছুর সমাধান আছে, যদি আপনি ধরেন একটু ধৈর্য। তাহলে ওজন নিয়ন্ত্রণের কিছু সহজ সমাধান জেনে নেয়া যাক।

সকালে ঘুম থেকে দ্রুত উঠার অভ্যাস করুন এবং নিয়মিত খালিপেটে হাটার অভ্যাস করুন। এতে আপনার শরীরের চর্বি কেটে যাবে।

যাদের বাসায় লিফট আছে তারা সিঁড়ি ব্যবহার করুন, এতে আপনার সুস্থ জীবন-যাপন সহজ হবে।

সকালের খাবারে থাকতে হবে ভারী স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, দুপুরের খাবারে থাকবে মাছ/মাংস, শাক-সব্জি ও সালাদ এবং রাতের খাবার হবে সবচেয়ে বেশি হালকা এবং সবজির পরিমাণ বেশি থাকতে হবে।

ফলমূল, সালাদ ও শাক-সবজি খাবারের তালিকায় বেশি পরিমাণে রাখবেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং ওজন বেশি তারা মিষ্টি ফলের বদলে টক জাতীয় ফল বেশি খাবেন।

# দাওয়াতে গিয়েছেন এবং খাবারের আইটেম অনেক বেশি? চিন্তার কোনো কারণ নেই। খাবার খাওয়ার ২০-৩০ মিনিট আগে পেট ভরে পানি খাবেন। সহজেই দাওয়াতের খাবার বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারবেন।

অনেক রকমের লোভনীয় খাবার সামনে আছে বলে খাবারের ওপর ঝাপিয়ে পড়বেন না। এক কাপ ভাত বা পোলাও নিয়ে সাথে সব রকমের খাবারের স্বাদ নিতে পারেন। কারণ কোনো না কোনো তরকারিতে আলু বা কার্বোহাইড্রেট থাকেই।

# কোল্ড ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন।

# নিয়মিত কাল চা/ আদা চা/ সবুজ চা পান করার অভ্যাস করুন।

একবেলায় অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হলে খাবারের পর এক কাপ হালকা কুসুম গরম পানিতে ১টি মাঝারি আকারের লেবুর রস মিশিয়ে খাবেন তাহলে অতিরিক্ত মেদ জমবে না।

# প্রতিদিন খাবারের তালিকায় টক দই রাখুন। এতে আপনার খাবার সহজেই হজম হবে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ক্যালসিয়ামের অভাব হতে দিবে না।

অতিরিক্ত চিনি, লবণ, তেল-চর্বি ও মশলা জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে করে আপনি সর্বদা সুস্থ অনুভব করবেন।

দুই সপ্তাহ পর পর আপনার ওজন মেপে দেখুন। নিজের শরীরের পার্থক্য নিজেই বুঝতে পারবেন।

নিয়মিত খেলাধুলা, হাঁটাহাঁটির ও ব্যায়ামের অভ্যাস করুন।

নিজের কাজ অন্যকে দিয়ে না করিয়ে নিজেই করার অভ্যাস করুন।

ওজন কমানোর ওষুধের ওপর ভরসা না করে খাবার ও ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করুন।

ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে এবং সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভালো একজন নিউট্রিশনিস্ট বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Releated